Technology

Color Matching or Color Combination: গ্রাফিক ডিজাইনে রঙের ব্যবহার করা

আসসালামু আলাইকুম, যারা অনলাইনে অথবা ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠানে গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ করেন তারা বেশিরভাগ সময়েই Color Combination নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভোগেন যে, কিভাবে, কোন কালার ব্যবহার করলে আপনার ঐ ডিজাইনটি আরো বেশী প্রফেশনাল হতো অথবা আরো বেশী দেখতে সুন্দর লাগতো। যদিও নিজের মনের মাধুরি মেশানো রং করাই হচ্ছে ডিজাইনকে সুন্দর করে । কিন্তু তবুও কালার সম্পর্কে আপনার ভাল জ্ঞান না থাকে তাহলে কখনোই আপনি আপনার ডিজাইন কে ফুটিয়ে তুলতে পারবেন না । এ কারণে কালার সম্পর্কে আমাদের মোটমুটি ভাল জ্ঞান রাখা অতীব জরুরী, বিশেষ করে যারা ডিজাইন করেন।

আবার অনেক সময় দেখা যায় যে, আপনি আপনার মন মত সব কিছু ঠিক ঠাক করে সুন্দর একটি ডিজাইন তৈরি করেছেন কিন্তু যখন আপনার ক্লাইন্ট বা কাস্টমার এর নিকট ডিজাইনটি উপস্থাপন করলেন তখন সে তা পছন্দ করলো না অথবা অনেক সময় এমনও হয় যে, আপনি এবং আপনার ক্লাইন্ট ডিজাইন পছন্দ করেছেন কিন্তু এই ডিজাইনটিকে কোন ইউজার বা ব্যবহারকারী পছন্দ করছে না। তাই এই ধরনের সমস্যার মোটামুটি ৭০%-৮০% সমাধানের জন্য আপনাকে কালার সম্পন্ধে ভাল মানের জ্ঞান রাখা অত্যাবশ্যক।

মনের উপর রঙের প্রভাব

রঙয়ের ব্যবহার যেহেতু মানুষের মনের উপর প্রভাব বিস্তার করতে বিরাট ভূমিকা রাখে, তাই কালার ইফেক্টের কিছু সার্বজনীন অর্থও রয়েছে। গ্রাফিক ডিজাইনে বিভিন্ন কালারের ব্যবহার কি অর্থ বহন করে সেটা জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। বিভিন্ন রং আমাদের মনে বিভিন্ন অনুভুতির সৃষ্টি করে, তাই রঙ এর ব্যবহারে হতে হয় সতর্ক । চলুন জেনে নিই মনের উপর বিভিন্ন রঙ এর ভূমিকা কেমন হতে পারে।

RGB Color

সাদাঃ

শুদ্ধতা ও শান্তির প্রতীক হিসেবে সাদা রং এর ব্যবহার বিশ্বজুড়ে।

সাদা রঙ সাধারণত মানুষের মনে যে প্রভাব ফেলে তা নিম্নরুপঃ
ইতিবাচকঃ সত্যনিষ্ঠ, পরিচ্ছন্নতা, শান্তি, শুদ্ধতা, সরলতা ও স্বচ্ছতা।
নেতিবাচকঃ শূন্যতা ও উদাশীনতা।

কালোঃ

সাদার পরই যে রঙ এর কথা আসে সেটা হল কালো। এটি সাধারণত কর্তৃত্বপূর্ণ এবং শক্তিশালী একটি রঙ।
কালো রঙ মানুষের মনে যে প্রভাব ফেলে তা নিম্নরুপঃ
ইতিবাচকঃ নিয়মানুগত্য, বোল্ডনেস, কর্তৃত্ব, বিশুদ্ধতা, রহস্য ও গুরুত্বপূর্ণ ।
নেতিবাচকঃ ভয়, নিপীড়ন ও উদাসীনতা।

সবুজঃ

নতুন জীবন এবং নতুনের মতো করা বুঝাতে সবুজ রঙের ব্যবহার হয়ে থাকে অর্থ্যাৎ নতুন জীবন শুরু করা বুঝাতে এটি ব্যবহার হয়। সবুজ রঙ মনে যেমন প্রশান্তি ও স্বচ্ছন্দতা জাগিয়ে তুলে তেমনি অপরিপক্কতাকেও তুলে ধরে।

সবুজ রঙ মানুষের মনে যে প্রভাব ফেলে তা নিম্নরুপঃ
ইতিবাচকঃ টাটকা, প্রাকৃতিক, ছন্দ, সুস্বাস্থ্য ও নিরাময়।
নেতিবাচকঃ কোমলত্ব ও একঘেয়েমি।

লালঃ

সবচেয়ে লম্বা তরঙ্গদৈর্ঘ্যের হওয়ায় লাল বেশ শক্তিশালী একটি রং। তাই খুব দূর থেকেও দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে এই রঙটি। লাল রঙের এই বৈশিষ্টের কারণেই ট্রাফিক লাইটে এর ব্যবহার বিশ্বব্যাপী।

সাধারণত লাল রঙ মানুষের মনে যে ধরণের প্রভাব ফেলে তা নিম্নরুপঃ
ইতিবাচকঃ সাহসিকতা, প্রবলতা, শক্তি, ফাইট অর ফ্লাইট, উষ্ণতা, উদ্দীপনা ও উত্তেজনা।
নেতিবাচকঃ আক্রমনাত্মকতা, আগ্রাসন ও মানসিক চাপ সৃষ্টি।

নীলঃ

নীল এর সাইকোলজিক্যাল ইফেক্ট লাল এর পুরুই উল্টোটা, এর একটিই কারণ লাল রং কাজ করে ফিজিক্যালি আর নীল রং কাজ করে মেন্টালি। নীল রং খুব সহজেই মনে শান্ত করার অনুভূতি জাগিয়ে তুলতে পারে।

মানুষের মনে যে মানসিক প্রভাব ফেলে তা নিম্নরুপঃ
ইতিবাচকঃ যোগাযোগ দক্ষতা, বুদ্ধিদীপ্ততা, প্রশান্ত ভাব, আস্থা, প্রত্যয়, নির্মলতা ও বিশ্বাস।
নেতিবাচকঃ নির্লিপ্ততা ও আবেগশূন্যতা।

হলুদঃ

অতি দৃষ্টিগোচর একটি রং এবং দেখার জন্য সব থেকে সহজতম রং। তাই খুব সহজেই মানুষের মাঝে উদ্দীপনা জাগাতে পারে। হলূদ রঙের এই বৈশিষ্টের কারণেই গাড়ির সিগন্যাল হিসাবে এর ব্যবহার দুনিয়া জুড়ে।

মানুষের মনে হলুদ রঙ যে মানসিক প্রভাব ফেলে তা নিম্নরুপঃ
ইতিবাচকঃ আত্মমর্যাদা, আগ্রহ, আনন্দ, বুদ্ধিদীপ্ততা, ইতিবাচকতা ও সূর্যোদয়।
নেতিবাচকঃ নির্লিপ্ততা ও আবেগশূন্যতা।

বাদামীঃ

লাল, হলুদ এবং কাল এর সমন্বয়ে গঠিত রঙটি হচ্ছে বাদামী রঙ। এর ফলে বাদামী রং মস্তিস্কে কালো রঙের মতই প্রভাব ফেলে কিন্তু এটি তুলনামূলকভাবে উষ্ণ এবং কোমলতার অনুভূতি জাগায়।

মানুষের মনে বাদামী রঙ যে মানসিক প্রভাব ফেলে তা নিম্নরুপঃ
ইতিবাচকঃ গুরুত্ব, আন্তরিকতা, প্রাকৃতিক, নির্ভরযোগ্যতা ও সাপোর্ট।
নেতিবাচকঃ রসবোধের অভাব ও রাশভারী।

কোন রঙ (Color) মানুষের উপর কিভাবে প্রভাব ফেলে সেটা অনেকখানি নির্ভর করে কোন স্থানে কিভাবে রঙটি ব্যবহৃত হয়েছে তার উপর, যার জন্য গ্রাফিক্স ডিজাইনে রঙের ব্যবহার এবং মনোস্থাত্তিক প্রভাবগুলো জানার পরই যে বিষয়টি চলে আসে সেটা হচ্ছে রং এর ব্যবহার। গ্রাফিক্স ডিজাইনে রং এর বৈচিত্রময় ব্যবহার সম্পর্কে জানতে চাইলে আরও কিছু বিষয় সম্পর্কে অবগত হতে হবেই। সেগুলো মধ্যে একটি হল রং এর শ্রেণীবিভাগ –

অনেক আগে লাল, হলুদ এবং নীল এই তিন রংকে মৌলিক রং বলে ধরা হয়। রং কে আবার ভাগ করা হয়েছে এইভাবে –

  • First Order ColoursColor Wheel
  • Second Order Colours
  • Third-Order Colours

First Order Colours- এই রঙ গুলি হলো Red, Yellow, blue লাল, হলুদ এবং নীল অন্য কোন রং মিশ্রনে তৈরী করা যায় না।
Second Order Colours– এই রংগুলি হলো Red, Yellow, blue লাল, হলুদ এবং নীল এই তিন রঙের মিশ্রনে তৈরী হয়। যেমন – কমলা, সবুজ, বেগুনী।
Third-Order Colours- যা Second Order Colours এবং মৌলিক রং এর মিশ্রনে তৈরী হয়।

গ্রাফিক্স ডিজাইনে রং নিয়ে খেলা করতে চাইলে আরও কিছু বিষয়ের প্রতি নজর দেওয়া লাগবে। সেগুলো হচ্ছে-

  • Complementary Colors
  • Simultaneous Contrast
  • Complementary Ratios
  • Harmonizing Colors.

আমার জানামতে কিছুটা এই বিষয়ে কিছুটা ধারনা দেওয়ার চেষ্টা করবো।

প্রথমত জানতে হবে রঙের উৎসটা ঠিক কি রকম? প্রাচীনকালে প্রকৃতিই ছিল একমাত্র উৎস। আকরিকচূর্ণ, কাঠকয়লার গুঁড়ো ও রঙীন মাটি — এগুলোই ছিল মানুষের কাছে রঙের প্রাথমিক উৎস। কিন্তু কালের বিবর্তনে মানুষের চাহিদা বেড়েছে মানুষের মন মানষিকতা পরিবর্তন হয়েছে। প্রাকৃতিক উৎস থেকে যে রঙ পাওয়া যায় তা দিয়ে আর যাইহোক মানুষের চাহিদা মেটানো সম্ভব নয়। কারণ, মানুষের চাহিদারই দিন দিন বেড়েই চলেছে । তাই কারখানায় রঙ তৈরী হতে লাগলো। একই সঙ্গে বিবর্তন ঘটতে শুরু করল রঙের দুনিয়ায়।

কিন্তু মানুষতো প্রকৃতিরই একটি অংশ। সে কি করে প্রকৃতিকে অস্বীকার করে? তাই প্রকৃতির দেওয়া রঙেরও প্রয়োজন মানুষের জীবনে থেকেই গেল।

এটি প্রাণীজগৎ এবং উদ্ভিদ উপাদানগুলির একটি ব্যাপক তালিকা যা নির্দিষ্ট রং তৈরি করার জন্য সংগ্রহ করা যেতে পারে। কিছু কালার বা রং আল্লাহ প্রদত্ত সৃষ্টির সকল কিছু যেকোন কালার ম্যাচ করেই তৈরিকৃত রয়েছে যেমন জীবজন্তু (বাঘ, সিংহ, ময়ূর, মাছরাঙা পাখি ইত্যাদি যেকোন প্রাকৃতিক জিনিস থেকে কালার ম্যাচ করলে আমার মনে হয় আপনি সুন্দর ডিজাইন অথবা কালার ম্যাচ করতে পারবেন বলে আশাকরি।

নিচে কয়েকটি উদাহরণ দিলাম:

color-comnation-masranga
মাছরাঙ্গা পাখির রং থেকে কিছু নিয়ে একটি কালার ম্যাচিং
mango-color-matching
আমের রং ব্যবহার করে কালার ম্যাচিং
parrot-color-adjust
টিয়া পাখির রং দিয়ে তৈরি একটি ডিজাইন
Tiger-Color-Combination
বাঘের রং দিয়ে কালার ম্যাচিং ডিজাইন
Pea-Cock-Color-Design
ময়ূর রং দিয়ে কালার ম্যাচিং

আরও প্রকৃতিতে পাওয়া যায় এমন কিছু রংয়ের ধারণা:

হলুদ রং: কাঁচা বা শুকনো হলুদ থেকে পাওয়া যায়।
সবুজ রং: সীম পাতা বা গাঁদা ফুলের পাতাসহ যেকোন সবুজ পাতা থেকে পাওয়া যায়।
বেগুণী রং: পাকা পুই ফল থেকে পাওয়া যায়।
কমলা রং: মেহেদী পাতা ও শিউলী ফুল থেকে পাওয়া যায়।
কালো রং: কাঠ পোড়ানো কয়লা থেকে পাওয়া যায়।
খয়েরী রং: খয়ের গাছের ছাল, কছু গাছের রস, কাঁচা গাব ফল ও ডেউয়া গাছের ছাল থেকে পাওয়া যায়।

Color Theory

ডিজাইনার হবার জন্য কালার সম্পর্কে সঠিক ধারনা থাকতে হবে এটাই স্বাভাবিক। কালার এর মাধ্যমে অনেক ধরনের অনুভুতিও প্রকাশ করা যায়। প্রতি টা কালার এর একটা নিজস্ব feel 0r meaning থাকে। যেমন – উষ্ণ (Hot) কালার কি, শীতল (Cold) কালার কি, নিরপেক্ষ (Neutral) কালার কি ইত্যাদি হল কালার থেওরির মূল আলোচ্য বিষয়। এছাড়াও ওয়েব মিডিয়া তে কি কালার বা প্রিন্ট মিডিয়া তে কি কালার ব্যবহার করতে হয়, তাও আলোচনা হয় কালার থিওরি অংশে।

আসলে কালার ডিজাইন গ্রাফিক্স অঙ্গনে এত বড় জায়গা দখল করে আছে যে, যার গুরুত্ব বলে শেষ করা অনেক কঠিন। কিছু বেসিক Composition এর rules আর ভাল ভাবে কালার ব্যবহার করতে জানলে অনেক ভালো ডিজাইন করা সম্ভব। আপনারা যদি আমার দেওয়া Resource গুলো একটু ভালো করে পর্যালোচনা করেন তাহলে কালার থিওরিতে COLOR WHEEL পাবেন। তারপর দেখবেন কিভাবে গ্রাফিক্স ডিজাইনে কালার হুইল এর মাধ্যমে, অগণিত কালার শেড তৈরি করা হয়। কালার হুইল মুলত রংধনুর কালার গুলো+ এই কালার গুলোর শেড দিয়ে তৈরি। আপনি সূর্যের আলোর ৭ টি কালার এবং Shade গুলোর mixture পাবেন।

আপনাদের মধ্যে যারা গ্রাফিক্সের কাজ করেন তাদের কালার এবং ডিজাইন সম্পর্কে কিছুটা হলেও ধারণা আছে বৈকি, এর চাকচিক্য ভাব এবং গ্রাহক বা দর্শকের পছন্দ অনুভব করে এ ব্যাপারে গ্রাফিক্স ডিজাইনারের পেশাদারি দক্ষতা সম্পর্কে আগ্রহ অনেক বেশি। আসলে আমরা কম বেশি সবাই আমাদের প্রতিদিন কার জীবনে কালার নিয়ে মাথা ঘামাই। কোথাও যাচ্ছেন, সেই পরিবেশ অনুযায়ী কি ধরনের কালার এর পোশাক পরিচ্ছদ মানানসই হবে সে ব্যাপারে সবাই একটু যত্নশীল থাকেন। আর মেয়েরা হলে ত কথাই নেই। ড্রেস এর কালার match করানো নিত্ত নৈমিত্তিক ব্যাপার।

তাই আপনাকে ২ টা জিনিস প্রধানত জানতেই হবে। কোন কালার কি ধরনের ফীলিংস দেয় আর কোন কালার এর সাথে কোন কালার ম্যাচ করে। এই ২ টা sense নিজের মধ্যে Grow করাতে পারলে তবেই আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইনের ৭০% ধাপ এগিয়ে থাকবেন।

কিছু অনলাইন tools আছে কালার এর উপর যা থেকে আপনি সহজেই একটা ডিজাইন এর জন্য কালার চার্ট ঠিক করতে পারেন। এছাড়াও আপনি যদি একটা নির্দিষ্ট কালার এর সাথে অন্য যেই কোন কালার Match করাতে চান তার জন্য এই tools গুলো কাজে আসবে।

Color Practice (Graphics Design)

যারা শুধু নিজে নিজে ডিজাইনার হবার চেষ্টায় আছেন তারা, প্রতিদিন কমপক্ষে ২ ঘণ্টা সময় ডিজাইন practice এবং এটা নিয়ে ঘাটাঘাটি করবেন। সব থেকে সহজ উপায় হল গুগলে সার্চ করা। হাজার হাজার ডিজাইন গ্যালারী আছে অনলাইনে, এগুলো ভাল করে প্রতিনিয়ত দেখতে হবে। এতে করে আপনার চোখে ডিজাইনগুলা ভাসতে থাকবে। ডিজাইনার হিসেবে চোখ এবং মস্তিষ্কে ডিজাইন সেট করা খুব জরুরি।

যত ভাল ভাল ডিজাইন দেখবেন, ততই আপনার মধ্যে বিক্রিয়া ঘটতে থাকবে। ভাল ভাল ডিজাইন গুলো Analysis করেন। যদি আপনার কোন ডিজাইন ভাল লেগে থাকে, তাহলে মনে মনে একবার ভাবুন, কেন ভাল লাগলো এই ডিজাইনটি? কি আছে এতে? কোন component টা অথবা কোন Color Combination টা আপনার সবচেয়ে ভালো লেগেছে এবং আপনার নজরে আসছে?

প্র্যাকটিস করার আরও একটা উপায় হচ্ছে নিজে নতুন নতুন প্রোজেক্ট তৈরি করা। যেকোন কোম্পানির জন্য লোগো, বা যেকোন কোম্পানির জন্য Flyer ইত্যাদি। ডিজাইন করা শেষ হলে আপনার করা ডিজাইন টা শেয়ার করুন আপনার ডিজাইনার বন্ধুদের সাথে। পরিচিত কেও না থাকলে Distorted Designers এ যোগ দিন। এই খানে সবাই ডিজাইনার। আপনার ডিজাইন এর ফ্রী ফিডব্যাক পেয়ে যাবেন।

ডিজাইন শেখার একটা অন্যতম রাস্তা অথবা মূলমন্ত্র হল নিজের করা ডিজাইন গুলো কোন ফোরাম এ শেয়ার করা। তাই এখানে শেয়ার করে জেনে নিন আপনার কেমন হয়েছে এবং কি কি ভুল তাতে বিদ্যমান। এতে করে আপনার ফায়দা হবে আপনার তৈরিকৃত প্রোজেক্টে যে ভুলগুলো রয়েছে তা সহজে নির্বাচন করতে সবাই সাহায্য করবে, আপনি সাথে সাথে তা সমাধান করবেন তাতে আপনার ডিজাইনের মান পর্যায়ক্রমে সুন্দর হতে থাকবে।

পরিশেষে একটি কথা গ্রাফিক্স ডিজাইনের ক্ষেত্রে প্র্যাকটিসের উপর কোন কিছু নেই।

probangla-Facebook-page

Show More

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button