Health Tips তারুণ্যতায় ত্বকের যত্ন নিন

তারুণ্যতায় ত্বকের যত্ন নিন

বয়স বাড়তে থাকলে বয়সের চাপ পড়াটা স্বাভাবিক। তবে এ নিয়ে চিন্তায় পড়ে যান অনেকেই। চেহারায় লাবণ্য ধরে রাখতে চাইলে যত্ন নিন সময় থাকতেই। বয়স ত্রিশের আশপাশে গেলেই অ্যান্টি-এজিং ট্রিটমেন্ট নেওয়া শুরু করা জরুরি। রূপবিশেষজ্ঞ রাহিমা সুলতানা মনে করেন, ত্বকে তারুণ্য ধরে রাখতে চাইলে কিছু নিয়ম অবশ্যই মানতে হবে।

এক্ষেত্রে সবার আগে আসবে নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের। পরিমিত ঘুম, সঠিক খাদ্যাভ্যাস, সময় মেনে চলা—এই ব্যাপারগুলোতে অভ্যস্ত হয়ে উঠুন। পাশাপাশি ত্বকের যত্ন নেওয়াও চাই।

যত্নআত্তি

বাইরে বের হওয়ার পূর্বে সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। প্রতিদিন কমপক্ষে আট গ্লাস পানি পান করুন। এখন থেকে হারবাল চা পান করার অভ্যাস করুন। প্রচুর শাকসবজি ও তাজা ফলমূল খাদ্য তালিকায় রাখুন এবং খাদ্য তালিকা থেকে বাদ দিন জাঙ্ক ফুড। নিয়মিত শরীরচর্চা/ব্যয়াম করুন। সারা দিনের ব্যস্ততার পর রাতে এবং ছুটির দিনগুলোতে ত্বকের যত্ন নিন। দেখবেন, চেহারায় তারুণ্য ফুটে উঠেছে।

ঘরোয়া প্যাক

গ্রিন টি মাস্ক, ১টি ডিম (ফেটিয়ে নেওয়া), বুনোফুলের মধু ১ চা-চামচ, লেবুর রস ১ চা-চামচ, গ্রিন টি পাউডার ১ চা-চামচ, পাকা কলা। সবগুলো উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট করে মুখে লাগাতে হবে। তারপর ১৫-২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলতে হবে।

রাতে ঘুমানোর পূর্বে ত্বকের যত্ন

ঘুমানোর পূর্বে মেকআপ তুলে নিতে ভুলবেন না। প্রতিদিন বাইরে থেকে ফিরে ক্লেনজার দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন। তারপরে ফেস ওয়াশ দিয়ে মুখ ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিন। টোনার আপনার মুখে ময়লা এবং তেলত্বকের যত্ন গোড়া থেকে তুলে দিতে সাহায্য করবে, তাই টোনার ব্যবহার করুন।

বিশেষ করে কপাল এবং নাকের আশপাশ বাদ দেবেন না। কারণ ঐ সব জায়গায় তেল এবং ময়লা বেশি জমে থাকে। ত্বক শুষ্ক হলে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। মুখে-গলায় অ্যান্টি-রিংকল ক্রিম ব্যবহার করুন
চোখে সবার আগে ভাঁজ বা বলিরেখা পড়ে। তাই প্রতিদিন রাতে আই জেল বা ক্রিম ব্যবহার করতে ভুলবেন না। বাজারে নানা ব্র্যান্ডের অ্যান্টি-রিংকল আই ক্রিম রয়েছে। প্রতিদিন রাতে আঙুলে নিয়ে আলতো করে চোখের চারপাশে মালিশ করতে হবে।

ত্বকের পুষ্টি

  • প্রতিদিন ১ গ্লাস ফলের রস পান করলে বয়সের ছাপ দূরে থাকবে।
  • সবুজ আপেল, লাল আঙুর বিচিসহ, পেয়ারা কলা আমলকী এর মধ্যে প্রতিদিন যেকোন ১টি ফল খাওয়া উচিত।
  • সবুজ শাকসবজি যেমন: ব্রকলি, ঢ্যাঁড়স, গাজর, টমেটো, পুঁইশাক, লালশাক, ইত্যাদি।
  • যাঁরা ওজন কমানোর ডায়েট করেন তাঁরা কার্বোহাইড্রেট অংশটা কমিয়ে প্রোটিনের পরিমাণ ঠিক রাখুন।

এগুলোও পড়তে পারেন

সর্বশেষ প্রকাশিত