চারিত্রিক প্রত্যয়ন পত্র

চারিত্রিক প্রত্যয়ন পত্র লেখার নিয়ম

প্রত্যয়ন পত্রের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় চারিত্রিক প্রত্যয়ন পত্র। জেনে নিন চারিত্রিক প্রথম পত্র লেখার নিয়ম ও নমুনা সম্পর্কে।

চারিত্রিক প্রত্যয়ন পত্র হলো একজন ব্যক্তির আচার-ব্যবহার, চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, সততা, নিষ্ঠা ও দেশের প্রতি কেমন মূল্যবোধ তার একটি প্রামাণ্য দলিল। বিভিন্ন কর্মকান্ডে চারিত্রিক সনদ প্রয়োজন হয়। বিশেষ করে অধিকাংশ চাকরি প্রাপ্তির ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ, চেয়ারম্যান অফিস, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন কিংবা অনলাইন। এ সকল মাধ্যমে আবেদন করলে, চারিত্রিক প্রত্যয়ন পত্র লেখার নিয়ম অনুযায়ী একটি সনদ দেওয়া হয়।

চারিত্রিক প্রত্যয়ন পত্রের জন্য আবেদন

তারিখ:
বরাবর
মাননীয় চেয়ারম্যান
মানিকারচর ইউনিয়ন পরিষদ
মেঘনা, কুমিল্লা।

বিষয়: চারিত্রিক প্রত্যয়ন পত্রের জন্য আবেদন।

জনাব,
সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি _____,পিতাঃ___মাতাঃ_, গ্রামঃ_, ডাকঘরঃ_, থানাঃ_, জেলাঃ__। আমি আপনার ইউনিয়নের একজন সাধারন নাগরিক। আমি কোন অসামাজিক বা বেআইনি কর্মকান্ডের সাথে জড়িত নই। আমি সর্বদা বাংলাদেশের একজন শৃংখল নাগরিক হিসেবে জীবনযাপন করি। বর্তমানে চাকরিতে নিয়োগের জন্য আমার একটি চারিত্রিক সনদপত্র প্রয়োজন।

অতএব, মহোদয়ের নিকট আবেদন, আমার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য বিবেচনা করে আমাকে একটি চারিত্রিক সনদ প্রদান করলে কৃতজ্ঞ হব।

আপনার অনুগত
‘ক’

চারিত্রিক সনদ নমুনা

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
১২ নং পৃথিমপাশা ইউনিয়ন পরিষদ
পৃথিমপাশা, কুলাউড়া, মৌলভীবাজার।

স্মারক নং:
তারিখ:

প্রত্যয়ন পত্র

এই মর্মে প্রত্যয়ন করা যাচ্ছে যে, নাম:___, পিতা:_, মাতা:_, গ্রাম:_, পোস্ট অফিস:_, ইউনিয়ন পরিষদ, থানা:_, জেলা:__। আমি তাকে ব্যক্তিগতভাবে চিনি। তিনি অত্র ইউনিয়ন/ পৌরসভা একজন স্থায়ী বাসিন্দা। তিনি জন্মসূত্রে বাংলাদেশী নাগরিক। আমার জানামতে তার স্বভাব চরিত্র ভালো। তিনি রাষ্ট্রবিরোধী বা অনৈতিক কোন কর্মকাণ্ড জড়িত নেই।

আমি তার ভবিষ্যৎ জীবনের সর্বাঙ্গীন মঙ্গল ও সাফল্য কামনা করছি।

স্বাক্ষর:
ইউনিয়ন পরিষদের/চেয়ারম্যানের সিলমোহর।

চারিত্রিক সনদ পিকচার

চারিত্রিক সনদ পিকচার
চারিত্রিক সনদ পিকচার
চারিত্রিক সনদ নমুনা পিডিএফ ডাউনলোড

আরো পড়ুন- প্রত্যয়ন পত্র লেখার নিয়ম

বর্তমানে অনলাইনেও prottoyon.gov.bd ওয়েবসাইটে রেজিস্টার করে চারিত্রিক সনদপত্রের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

শেষকথা

চারিত্রিক সনদ একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যয়ন পত্র। তবে বাংলাদেশে চারিত্রিক বিচার-বিশ্লেষণ না করেই চারিত্রিক প্রত্যয়ন পত্র দিয়ে থাকে অনেক ইউনিয়ন পরিষদে। তবে সনদ প্রত্যাশী ব্যক্তির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে চারিত্রিক প্রত্যয়ন পত্র লেখার নিয়ম অনুযায়ী সনদ দেওয়া উচিত।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top